লাইভ ট্র্যাকিংয়ের জন্য ডেটা কানেকশন এবং অ্যাপ ব্যবহারের জন্য মাসিক/বার্ষিক সাবস্ক্রিপশন ফি (সাধারণত ৩০০ থেকে ৫০০ টাকা প্রতি মাস) প্রযোজ্য হয়।
জিপিএস ড্যাশ ক্যামের প্রধান সুবিধা ও কাজগুলো নিচে বাংলায় দেওয়া হলো:
জিপিএস ড্যাশ ক্যামের সুবিধা (Key Features)
-
- লাইভ ট্র্যাকিং (Live GPS Tracking): ড্যাশ ক্যামের জিপিএস মডিউলের মাধ্যমে আপনি আপনার গাড়ির বর্তমান অবস্থান, গতিবেগ এবং রুট স্মার্টফোন বা কম্পিউটারের মাধ্যমে রিয়েল-টাইমে (Live) দেখতে পারবেন。
- ভিডিও প্রমাণ (Video Evidence): গাড়ি চালানোর সময় সামনের রাস্তার নিরবচ্ছিন্ন রেকর্ড থাকে। দুর্ঘটনা, ট্রাফিক আইন লঙ্ঘন বা অনাকাঙ্ক্ষিত কোনো ঘটনার সময় এটি বড় প্রমাণ হিসেবে কাজ করে。
- ইনসিডেন্ট ডিটেকশন ও জি-সেন্সর (G-Sensor): হঠাৎ ব্রেক কষলে বা দুর্ঘটনা ঘটলে ডিভাইসের জি-সেন্সর (G-Sensor) সক্রিয় হয়ে যায়। এর ফলে স্বয়ংক্রিয়ভাবে ভিডিও ফুটেজ লক হয়ে যায়, যাতে রেকর্ডিংয়ের সময় তা মুছে বা ওভাররাইট (Overwrite) না হয়。
- পার্কিং মনিটরিং (Parking Mode): গাড়ি পার্ক করা অবস্থায় কোনো আঘাত লাগলে বা কেউ গাড়ির কাছাকাছি এলে অটোমেটিক ক্যামেরা চালু হয়ে রেকর্ড শুরু করে
- মোবাইল অ্যাপ কানেক্টিভিটি (App Control): বেশিরভাগ জিপিএস ড্যাশ ক্যামের সাথে ওয়াই-ফাই (Wi-Fi) কানেকশন থাকে। ফলে ওয়াই-ফাইয়ের সাহায্যে আপনি মোবাইল অ্যাপে সরাসরি ফুটেজ দেখতে ও ডাউনলোড করতে পারবেন
বাংলাদেশে জনপ্রিয় মডেল ও আনুমানিক মূল্য
বাংলাদেশে বিভিন্ন ব্র্যান্ড ও কনফিগারেশনের জিপিএস ড্যাশ ক্যাম পাওয়া যায়। জনপ্রিয় কিছু মডেল:
- Concox JC200 বা JC400: এগুলোতে লাইভ ট্র্যাকিং, ভয়েস মনিটরিং ও ফুল এইচডি রেকর্ডিংয়ের সুবিধা রয়েছে। (মডেল ও ভ্যারিয়েন্ট অনুযায়ী)。
- 70mai A800S (বা Pro Plus+): জিপিএস এবং এডিএএস (ADAS) সাপোর্টেড এই মডেলগুলো বেশ জনপ্রিয়।
- Redtiger F7NP / A3: হাই-রেজোলিউশন (4K) ও নাইট ভিশন সুবিধাযুক্ত।








Reviews
There are no reviews yet.